By Tapan Das
বছরের শুরুটা যেভাবে হওয়া উচিত—ঠিক সেভাবেই শুরু করলাম।

📅 ৩ জানুয়ারি ২০২৬, বছরের তৃতীয় দিনে আমাদের ২০২৬-এর প্রথম রাইড শুরু হলো তারা মায়ের দর্শন দিয়ে।
সকাল ৮:৩০-এর মধ্যেই পালশিট টোল প্লাজাতে জমে উঠল ভ্যাগাবন্ড রাইডার্স-এর টিম। আমি, সোমনাথ, সৌরভ, স্বপন, বাবুদা—আর অন্য দিক থেকে দেশদা, রিন্টুদা, শম্ভুদা, লাল্টুদা। একটু দেরি হলেও পানগড় থেকে অর্কদেব ঠিকই আমাদের ধরে ফেলল।
👉 মোট ১০ জন রাইডার, এক মনের দল।
চা পর্ব সেরে গলসীতে সকালের প্রাতরাশ, তারপর ০২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে রাইড—কখনও সর্পিল গতিতে, কখনও আগে-পিছে, কিন্তু ছন্দটা ছিল একেবারে পারফেক্ট। কাঁকসা থেকে অজয় নদ পেরিয়ে ইলামবাজার–দুবরাজপুর–সিউড়ি হয়ে পৌঁছে গেলাম তারাপীঠ।
দেশদা আর অর্কদেব আগে গিয়ে হোটেল ঠিক করায় কাজটা সহজ হয়ে গেল।

ভালো হোটেল নাহলে পাঁঠার মাংস জমবে না 😀😀।
মেহেক-এ-পাঞ্জাব-এ চেক-ইন, স্নান-খাওয়া, একটু আড্ডা—তারপর সন্ধ্যায় মায়ের দর্শনে।
অর্কদেবের পরিচিত পুরোহিতের মাধ্যমে পুজো আর প্রসাদ—নতুন বছরের প্রথম রাইডে মায়ের আশীর্বাদ সত্যিই বিশেষ অনুভূতি ❤️

রাতের প্ল্যান ছিল একদম ফিক্সড—
🥘 পাঁঠার মাংস + রুটি
৬.৫ কেজি মাংস, পাশে রান্না, আর হোটেলে ফিরে জমাটি ডিনার। দশজন মিলেও পুরোটা শেষ করা গেল না—তবু মজা ছিল ফুল অন 😄
পরদিন সকালে আমরা কয়েকজন বেরোলাম ঝাড়খণ্ডের মালুটি গ্রামে, মা মৌলিক্ষা দেবীর মন্দিরে।

মালুটি নিজেকে জাহির করে না—তাকে আবিষ্কার করতে হয়। লাল টেরাকোটার পুরোনো মন্দির, ইতিহাসের নীরবতা, আর “গুপ্ত কাশি”-র আলাদা এক অনুভূতি।

দর্শন শেষে ফেরার পথে দেশদা আমাকে লিড দিল। কান্দি–বহরমপুর হয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বাড়ির পথ। বহরমপুর ধাবায় দুপুরের খাওয়া, পথে গুড় কেনা, আর সময় বাঁচাতে একটু গতি বাড়ানো।
⏰ ফলাফল?
সন্ধ্যে ৭টার মধ্যেই কল্যাণী।
চা-বিস্কুট দিয়ে সবাইকে বিদায় জানিয়ে আমাদের ২০২৬-এর প্রথম রাইড সফলভাবে শেষ 🏁
👉 রাইড মানে শুধু রাস্তা নয়,

👉 রাইড মানে বন্ধু, আড্ডা আর স্মৃতি।
ভ্যাগাবন্ড রাইডার্স – Ride More, Feel More 🏍️🔥











